বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ০১:৪৪ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
মাটিরাঙ্গায় ধলিয়া খালে বিলীন বসতঘর ; প্রশাস‌নের ত্রান ‌বিতরণ। কালের খবর জুলাইয়ের রক্তাক্ত স্মৃতিকে ধারণ করে ‘৩৬ জুলাই’ পত্রিকার আত্মপ্রকাশ। কালের খবর কাঁচা রাস্তা ধানক্ষেত-জঙ্গল পেরিয়ে যা দেখলেন প্রধানমন্ত্রী। কালের খবর রাঙ্গামাটি পার্বত্য এলাকার নারীদের আত্মনির্ভরশীল করতে বাঘাইহাট জোনের সেলাই প্রশিক্ষণের উদ্বোধন। কালের খবর সত্যের মঞ্চ না রাজনৈতিক অঙ্গন? সাংবাদিকতা ও রাজনীতির সীমারেখা নিয়ে নতুন বৈশ্বিক ভাবনা। কালের খবর ঢাকা দক্ষিণ সিটি নতুন ওয়ার্ডগুলোয় মশার রাজত্ব, অতিষ্ঠ বাসিন্দারা। কালের খবর নবীনগরে গোলাগুলির ঘটনায় নিখোঁজ রিফাতের লাশ উদ্ধার। কালের খবর মাটিরাঙ্গায় ওয়াদুদ ভুইয়া এমপি’র সহায়তায় সিদ্ধ চাল পেল গুচ্ছগ্রামের কার্ডধারীরা। কালের খবর দুর্গম পাহাড়ে নওমুসলিমদের পাশে সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদ। কালের খবর মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরে জার্নালিস্ট ফারুক নগর ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে “ফারুকজি ফুড গার্ডেন”-২-এ বৃক্ষরোপণ। কালের খবর
সাতক্ষীরার বেতনা নদী দখল করে গড়ে তুলেছে ৩৫টি ইটভাটা। কালের খবর

সাতক্ষীরার বেতনা নদী দখল করে গড়ে তুলেছে ৩৫টি ইটভাটা। কালের খবর

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি,কালের খবর :

দখল ও দূষণের কবলে পড়ে মরতে বসেছে সাতক্ষীরার বেতনা নদী। এ নদীর বুকে গড়ে তোলা হয়েছে অসংখ্য ইটভাটা, বসতবাড়ি, মৎস্য ঘেরসহ নানা স্থাপনা। ফলে নদী আর নদী নেই, এটি এখন শুকনো ভূমি। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কলারোয়া উপজেলা থেকে সাতক্ষীরার সদর উপজেলার মাছখোলা পর্যন্ত প্রায় ১৫ কিলোমিটারের মধ্যে নদীর কোল ঘেঁষে ও নদী দখল করে প্রায় ৩৫টি ইটভাটা গড়ে উঠেছে।

এসব ভাটা মালিকদের কারণে ও নদী শাসনের ফলে খুব দ্রুত বেতনা নদী মরণ দশায় পৌঁছেছে। ১৫ বছর আগেও বেতনার বুকে লঞ্চ-স্টিমার ও বড় বড় গহনার নৌকা চলত। বেতনার পানি সেচ কাজে ব্যবহার করে কৃষকরা খেতে ফসল ফলাতেন।

কিন্তু এখন বর্ষা মৌসুমেও পানির অভাবে শুকনো থাকে নদী। বেতনা ও এর সঙ্গে সংযুক্ত খাল দখলের কারণে পানি নিষ্কাশনের পথ হয়ে গেছে বন্ধ। ফলে বৃষ্টির সময় জলাবদ্ধতায় পড়তে হয় বাসিন্দাদের। বিনেরপোতা গ্রামের মাজেদ ও যশোর আলী দালাল জানান, ১০-১৫ বছর আগেও নদীতে জোয়ার-ভাটা হতো। কিন্তু বিবি ব্রিকের মালিক লিয়াকত আলীসহ বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী বেতনা নদী দখল করে ইটভাটা গড়ে তোলার পর কয়েক বছরের মধ্যেই নদীর মৃত্যু ঘটেছে।

যখন ফসলের জন্য খেত-খামারে সেচের দরকার হয় সেই বৈশাখ-চৈত্র মাসেও পানিশূন্য থাকে বেতনা।
এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণ পেতে এলাকাবাসী অবিলম্বে বেতনা নদী দখলমুক্ত করে নদী দখলকারীদের বিরেুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। সমস্যা সম্পর্কে প্রশ্ন করলে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আবুল খায়ের আশ্বস্ত করে জানান, নদ-নদী বাঁচিয়ে রাখতে ও জলাবদ্ধতা নিরসনে পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে প্রজেক্ট রেডি করতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া বেতনা নদী দখলকারীদের তালিকাও তৈরি করা হচ্ছে। সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

দৈনিক কালের খবর নিয়মিত পড়ুন এবং বিজ্ঞাপন দিন..

কালের খবর মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com